Back to BD Tools

ট্রেনের ভাড়ার তালিকা ও তথ্য

বাংলাদেশ রেলওয়ের জনপ্রিয় রুটগুলোর ট্রেনের ভাড়া ও সিট ক্যাটাগরি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

বাংলাদেশ রেলওয়ের সব টিকিট এখন অনলাইনে eticket.railway.gov.bd থেকে কাটা যায় অথবা 'Rail Sheba' অ্যাপ ব্যবহার করা যায়।

ভ্রমণের ১০ দিন আগে সকাল ৮:০০ টায় অনলাইনে অগ্রিম টিকিট ছাড়া হয়।

সিটের ক্যাটাগরি পরিচিতি (Class Guide)

  • Shovon (শোভন): সাধারণ নন-এসি সিট, ভাড়া সবচেয়ে কম।
  • Shovon Chair (শোভন চেয়ার): উন্নত নন-এসি সিট, বেশিরভাগ মানুষ এটি ব্যবহার করেন।
  • Snigdha (স্নিগ্ধা): এসি চেয়ার, আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য।
  • AC Seat (এসি সিট): এসি কেবিন (বসার সিট)।
  • AC Berth (এসি বার্থ): এসি কেবিন (শোয়ার বিছানা), সবচেয়ে দামি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনের ভাড়ার তালিকা ও সিট গাইড (Train Ticket BD)

বাংলাদেশ রেলওয়ে (Bangladesh Railway) দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও নিরাপদ দূরপাল্লার গণপরিবহন ব্যবস্থা। ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা রুটে নিয়মিত চলাচলকারী আন্তঃনগর (Intercity) ট্রেনসমূহে শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার), এসি সিট এবং স্লিপিং বার্থসহ বিভিন্ন শ্রেণির আসন রয়েছে। আমাদের এই গাইডে সরকার নির্ধারিত হালনাগাদ ভাড়ার তালিকা, অগ্রিম টিকিট কাটার নিয়মাবলী এবং জরুরি এফএকিউ সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

অনলাইনে রেলের টিকিট কাটার ৪টি সহজ ধাপ

১

NID ভেরিফিকেশন

অফিশিয়াল পোর্টাল (eticket.railway.gov.bd) বা 'Rail Sheba' অ্যাপে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মতারিখ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলুন।

২

রুট ও তারিখ নির্বাচন

ভ্রমণের ১০ দিন আগে সকাল ৮:০০ টায় আপনার প্রস্থান স্টেশন, গন্তব্য ও কাঙ্ক্ষিত যাত্রার তারিখ সিলেক্ট করুন।

৩

সিট ও পেমেন্ট

শোভন বা স্নিগ্ধা ক্লাস পছন্দ করে বিকাশ, নগদ বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ ভাড়া পরিশোধ করুন।

৪

ই-টিকিট ডাউনলোড

কিউআর কোডযুক্ত ই-টিকিট ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন অথবা মোবাইল স্ক্রিনে টিকিট মাস্টারকে প্রদর্শন করুন।

জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেনের অফিসিয়াল ভাড়ার তালিকা

রুট ও ট্রেনের বিবরণ শোভন চেয়ার (নন-এসি) স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) এসি সিট / বার্থ প্রধান ট্রেনসমূহ
ঢাকা - কক্সবাজার ৬৯৫ ৳ ১,৩২৫ ৳ ১,৫৯০ - ২,৩৮০ ৳ কক্সবাজার এক্সপ্রেস, পর্যটক এক্সপ্রেস
ঢাকা - চট্টগ্রাম ৪০৫ ৳ - ৪৪০ ৳ ৭৭৭ ৳ - ৮০৫ ৳ ৯৩০ - ১,৩৯২ ৳ সুবর্ণ এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, তূর্ণা নিশীথা
ঢাকা - সিলেট ৩২০ ৳ - ৩৭০ ৳ ৬১০ ৳ - ৭০৫ ৳ ৭৩০ - ১,০৯৯ ৳ পারাবত, জয়ন্তিকা, উপবন, কালনী এক্সপ্রেস
ঢাকা - রাজশাহী ৩৪০ ৳ - ৩৭৫ ৳ ৬৫৫ ৳ - ৭২০ ৳ ৭৮৫ - ১,১৮০ ৳ বনলতা এক্সপ্রেস (নন-স্টপ), সিল্কসিটি, পদ্মা
ঢাকা - খুলনা ৫০০ ৳ - ৫৫০ ৳ ৯৫৫ ৳ - ১,০৫০ ৳ ১,১৪৫ - ১,৭২০ ৳ সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস

ট্রেন টিকিট ও যাত্রা সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নাবলী (FAQ)

১. ট্রেনের টিকিট কত দিন আগে অনলাইনে ছাড়া হয় এবং কোন সময়ে?

বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী যাত্রার ঠিক ১০ দিন পূর্বে সকাল ৮:০০ টায় ওয়েস্টার্ন জোন (পশ্চিমাঞ্চল) এবং দুপুর ২:০০ টায় ইস্টার্ন জোন (পূর্বাঞ্চল) এর আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট অনলাইনে ও কাউন্টারে একযোগে বিক্রি শুরু হয়।

২. একজন যাত্রী একটি আইডি দিয়ে সর্বোচ্চ কয়টি টিকিট কিনতে পারেন?

একটি ভেরিফায়েড রেলওয়ে আইডি দিয়ে একবারে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট ক্রয় করা যায়। সহযাত্রীদের ক্ষেত্রে টিকিট বুকিংয়ের সময় তাদের নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হয়।

৩. অন্যের এনআইডিতে কাটা টিকিটে ভ্রমণ করলে কী শাস্তি হতে পারে?

বাংলাদেশ রেলওয়ে আইন অনুযায়ী টিকিট যার, ভ্রমণ তার। যাত্রীর প্রদর্শিত টিকিটের সাথে মূল এনআইডি/জন্মসনদের মিল না থাকলে ওই যাত্রীকে বিনা টিকিটের যাত্রী গণ্য করে নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ জরিমানা আদায় করার আইনি বিধান রয়েছে।

৪. ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বাতিল (Refund) করার নিয়ম কী?

যাত্রার ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে টিকিট বাতিল করলে ২০% সার্ভিস চার্জ কাটা হয়। ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করলে ২৫%, এবং ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাতিল করলে ৫০% চার্জ কর্তন করে অবশিষ্ট টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদানকারী অ্যাকাউন্টে রিফান্ড হয়ে যায়। যাত্রার ৬ ঘণ্টার কম সময়ে রিফান্ড প্রযোজ্য নয়।

৫. স্ট্যানডিং টিকিট (দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট) কীভাবে সংগ্রহ করা যায়?

আন্তঃনগর ট্রেনের সব আসন বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর ট্রেন ছাড়ার সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টা আগে স্টেশন কাউন্টার থেকে মোট আসনের সর্বোচ্চ ২৫% স্ট্যানডিং টিকিট হিসেবে বিক্রি করা হয়। স্ট্যানডিং টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায় না।

S

Shishir

Active now on Telegram

Copied to clipboard!